*** IT সম্পর্কে দক্ষ হতে চান ? ** তাহলে নিয়মিত Visit করুন .... IT Knowledge School **** টেকপ্রেমী : বদিউজ্জামান ( রুবেল )
Blogger Tips and TricksLatest Tips And TricksBlogger Tricks
*** IT সম্পর্কে দক্ষ হতে চান ? ** তাহলে নিয়মিত Visit করুন .... IT Knowledge School **** টেকপ্রেমী : বদিউজ্জামান ( রুবেল )

টাইলস করার নিয়ম কানুন ও যত কথা

আধুনিক শহরের বাসা বাড়িগুলো এখন টাইলস ছাড়া কল্পনাই করা যায় না। যে পোড়ামাটির টাইলসের ব্যবহার শুরু হয়েছিল প্রায় সাত হাজার বছর আগে মিসরীয় সভ্যতায়, তা এখনকার সময়ে মেঝে ও দেয়ালের অপ্রতিদ্বন্দ্বী নির্মাণ সামগ্রীতে পরিণত হয়েছে। ‘টাইলে- tuile’ ফ্রেঞ্চ শব্দ থেকে টাইলস শব্দটা এসেছে, তবে এরও অনেক আগে ল্যাটিন ভাষায় ‘টেগুলা-Tegula’ শব্দের ব্যবহার দেখা যায়। টাইলসের বিকল্প হিসেবে ফ্লোর বা দেয়ালে আরো বিভিন্ন নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার করা হয়ে থাকে। একসময় শুধু সিমেন্ট নেট ফিনিশিং দিয়ে ফ্লোর ফিনিশিং করা হত এবং পরে মোজাইকের কাজ খুব জনপ্রিয় ছিল। অনেক ফ্লোরে আবার মার্বেল বা গ্রানাইট ব্যবহার করা হয়ে থাকে। তবে টাইলসের ব্যবহারই এখন সবচেয়ে জনপ্রিয়। কারণ হিসেবে রয়েছে স্থাপনের সময়, দীর্ঘস্থায়িত্ব, সৌন্দর্য, সহজ পরিচর্যা ইত্যাদি। এছাড়াও টাইলস ব্যবহারের জন্যে রয়েছে নানাবিধ কারণ। 

যেমনঃ

# অল্প সময়ে স্থাপন করা যায় ও সহজে যত্ন নেওয়া যায়
# দেয়ালে ব্যবহারের ক্ষেত্রে রঙ করার প্রয়োজন হয় না
# দেয়ালে নোনা ধরার সম্ভাবনা থাকে না
# মেঝে সমতল থাকে, আঘাতে সহজে ভাঙ্গে না
# সহজে স্ক্র্যাচ বা মরিচা পড়ে না এবং আগুন প্রতিরোধী
# টাইলস সহজে প্রতিস্থাপন করা যায় ও রক্ষণাবেক্ষণ সহজ
# মোজাইক ও মার্বেলের চেয়ে তুলনামূলক কম খরচ ও বেশিদিন টেকে

চিত্রঃ টাইলস বসানো হচ্ছে
বিভিন্ন টাইলসের ব্যবহার
সিরামিক টাইলসঃ যেকোন দেয়ালে লাগানোর উপযোগী।
মিরর পলিশড টাইলসঃ ফ্লোরের উপযোগী উন্নতমানের টাইলস।
হোমোজিনিয়াস টাইলসঃ ফ্লোরের জন্য সাশ্রয়ী দামের টাইলস।
রাস্টিক টাইলসঃ দেয়াল ও ফ্লোর দুই জায়গাতেই উপযুক্ত।
 
টাইলস কেনার সময় কি কি জিনিস খেয়াল রাখতে হবেঃ
# দুটি একই টাইলস পাশাপাশি রেখে রঙ ও শেপ মিলিয়ে নিন
# ফ্লোর টাইলস-এর ক্ষেত্রে চারটি টাইলস পাশাপাশি রেখে কোণ ও জয়েন্ট মিলিয়ে নিন
# মিরর পলিশড টাইলস-এ আলোর প্রতিফলন লাইটের নিচে ধরে দেখতে পারেন
# টাইলস কতটা পানি শোষণ করে তার একটা স্ট্যান্ডার্ড আছে, আপনার পছন্দের ব্র্যান্ড সেটির ভেতরে কিনা জেনে নিন। একটি টাইলস পানির সংস্পর্শে আসলে যত ভাগ পানি শোষন করে, সেটাই পানি শোষন ক্ষমতা। যত কম পানি শোষন করবে, তত ভালো মানের টাইলস। বেশি পানি শোষনকারী টাইলস সহজে ভেঙে যেতে পারে, ধীরে ধীরে উজ্জ্বলতা হারাবে।
 
বিভিন্ন টাইলস–এর পানি শোষণ ক্ষমতা
•    ফ্লোর টাইলস ৩-৭%
•    ওয়াল টাইলস ১০-২০%
•    পোরসেলিন ফ্লোর টাইলস ০.৫% এর কম
•    মিরর পলিশড টাইলস ০.৫% – ৩%
 
টাইলস বসাতে যে উপাদানগুলো লাগবে
১। সিমেন্ট
২। টাইলস
৩। বালি
৪। পিগমেন্ট
৫। হোয়াইট সিমেন্ট
 
মশলার অনুপাত (সিমেন্টঃবালি)
ফ্লোরে ১:৪ এবং দেয়ালে ১:৩
এক ব্যাগ সিমেন্টের সাথে ৩ ব্যাগ বা ৪ ব্যাগ বালি মিশিয়ে শুকনা অবস্থায় এমনভাবে মিক্সিং করতে হবে যেন মিক্সারটি দেখতে ছাই রঙ এর মত হয় এবং অভিন্ন দেখায়। এরপর পরিমিত পানি দিয়ে পুনরায় ভালোভাবে মিক্সিং করতে হবে। তবে মনে রাখা জরুরি, এক ঘন্টার মধ্যেই বানানো মশলা ব্যবহার করে ফেলতে হবে।  মশলার উচ্চতা ২ থেকে ৩ সেন্টিমিটার এর মধ্যে হতে হবে।  সিমেন্ট মিকশ্চার ছাড়াও রেডি মিক্স সিমেন্ট মিকশ্চার ব্যবহার করা যেতে পারে।
 
টাইলস লাগানোর পূর্বে যে বিষয়গুলো দেখতে হবে

১। ইলেকট্রিক্যাল পাইপ বা পয়েন্টগুলো ঠিকভাবে বসানো হয়েছে কিনা।
২। MK Steel Box ঠিকভাবে লাগানো হয়েছে কিনা।
৩। পানির লাইনগুলো যথাযথভাবে বসানো হয়েছে কিনা।
৪। টাইলস বসানোর আগে অবশ্যই পানির লাইনের প্রেশার চেক করে নেয়া উচিত।
৫। যেখানে টাইলস লাগাবেন, সেই জায়গা আগে থেকে পরিষ্কার করে নিতে হবে।
৬। ইটের গাঁথুনির ময়লা পরিষ্কার করতে হবে এবং জয়েন্টগুলো পরিষ্কার করতে হবে।
৭। পানি দিয়ে দেয়াল ভেজাতে হবে।
৮। টাইলস ফিটিং করার ২ ঘন্টা পূর্বে তা হাফ ড্রাম পানিতে ভিজাতে হবে এবং বসানোর আধা ঘন্টা আগে পানি থেকে উঠিয়ে রাখতে হবে।
 
টাইলস সারফেস লেভেলিং:
টাইলের উচুনিচু চেক করার জন্য চার টাইলসের জয়েন্টে হাত দিয়ে বুঝার চেষ্টা করুন কোন টাইলস উচু কিংবা নিচু রয়েছে কিনা
জয়েন্টে আপ/ ডাউন বুঝার জন্য একটি টাইলসকে যে কোন জয়েন্টে খাড়াভাবে ধরুন, দেখুন তা দুটো টাইলের সাথে মিলে যাচ্ছে কিনা, কিংবা একটির সাথে মিললে অন্যটি থেকে ফাঁকা থাকে কিনা?
টাইলেস লেভেল আপনি স্প্রিরিট লেভেল দিয়েও চেক করতে পারেন, বড় স্পিরিট লেভেল হলে একাধিক টাইলের লেভেল এক সাথে চেক করতে পারেন।
যদি আপনি বৃহৎ এরিয়ার লেভেল চেক করতে চান তবে গজ বা সূতা দিয়ে চেক করতে পারেন। ৭ ফিটের একটি স্ট্রেট গজ নিন, তাকে ফ্লোরের সাথে চেপে ধরুন, ফ্লোর যদি লেভেলে থাকে তবে গজের নিচে কোথাও ফাঁকা থাকবেনা, যদি ফাঁকা থাকে তবে বুঝবেন টাইল ঠিকভাবে বসানো হয় নি।
সূতা দিয়ে চেক করতে চাইলে ১০ ফুট দূরুত্বের দুইটি টাইলস নির্ধারন করুন, এবার সেই দুই টাইলস থেকে সুতাটিকে ৫ মিলি উপরে তুলে টেনে ধরে রাখুন, নিজেই দেখতে পাবেন কোনটা উচুঁ আর কোনটা উচুঁ।

টাইলস লায়িং:
প্রথমে রুমের চার কর্নারে চারটি পায়া করে নিতে হবে, এবার পায়াগুলোর লেভেলের সাথে মিল রেখে যে কোন এক সাইড থেকে টাইস লাগিয়ে আসতে হবে, শর্টপিচ লাগলে সেটা প্রান্তের দিকে লাগাতে হবে। সবচেয়ে ভাল হবে যদি রুমের তিনদিকেই এক সারি টাইল বসিয়ে সে অনুযায়ী মাঝের টাইলগুলো বসানো যায়। খেয়াল রাখতে হবে প্রতি টাইলসের মাঝে যেন ২/৩ মিলির বেশি গ্যাপ না থাকে এবং টাইলের কর্নারগুলো একই লেভেলে থাকে।
ওয়াল টাইলসের বেলায় প্রথমে উলম্বভাবে শল ও লেভেলিং করে নিচে এক লাইন টাইলস বসিয়ে নিতে হবে, এবার পায়ার সাথে মিল রেখে ধীরে ধীরে উপরের দিকে উঠতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে টাইসগুলো যেন আড়াআড়ি ভাবে লেভেলে থাকে, কর্নারের টাইলকে ভি-কাটিং [#চোস] করে লাগাতে হবে। কাজ শেষে টাইলসগুলোকে পরিষ্কার করে মুছে ফেলতে হবে। সিরামিক টাইলসকে অবশ্যই কাজের পূর্বে পর্যাপ্ত ভিজিয়ে নিতে হবে।

কিউরিং:
কিউরিং এর ক্ষেত্রে ভাল হবে যদি ফ্লোরকে পানিতে চুবিয়ে কিউরিং করা যায়, কারণ টাইলস পানি অপ্রবেশ্য বিধায় সহজে শোষন করে না, সে ক্ষেত্রে জয়েন্টগুলোতে এমনভাবে পানি মারতে হবে যেন তা ভিতরে পৌঁছে।

পুডিং:-
কিউরিং পিরিয়ড শেষ হলে তা শুকানোর পর জয়েন্টগুলো ভালভাবে পরিষ্কার করে টাইলসের কালারের সাথে মিল রেখে পুডিং করে দিতে হবে এবং পুডিং করার পর তাও #কিউরিং করতে হবে। পুডিং কে ভালভাবে চেপে লাগাতে হবে যেন ভিতরে ঢুকতে পারে।


টাইলস লাগানোর পদ্ধতি

 
১। ফ্লোরে টাইলস লাগানোর আগে ওয়াটার পাইপ দিয়ে পুরো ফ্লোরের লেভেল মার্ক করে নিতে হবে। এরপর মশলা দিয়ে একটি টাইলস বসিয়ে ফ্লোরে পায়া করে নিতে হবে। এরপর সুতা বেঁধে ফ্লোর টাইলসগুলো বসাতে হবে।
২। দেয়ালের ক্ষেত্রেও মশলা দিয়ে পায়া করতে হবে যেন উলম্ব সারি ঠিক থাকে। বর্ডার থাকলে তা হিসাবের মধ্যে এনে লাইন-বাই-লাইন টাইলস বসাতে হবে।
৩। টাইলস লাগানোর সময় কাঠ বা রবারের হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করতে হবে যেন ভিতরে কোন ফাঁপা না থাকে।
৪। টাইলসের মধ্যকার জয়েন্টগুলো একই রকম হতে হবে এবং যেন ২ মিলিমিটারের চেয়ে বেশি না হয়।
৫। যতটুকু সম্ভব দরজা খোলার পর টাইলসের কাটপিস যেন না থাকে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে এবং ১.৫” এর বেশি কাটপিস যেন না হয়।
৬। টাইলস যেন চৌকাঠের উপরে না উঠে সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে।
৭। ফ্লোর টাইলস পুরো ইউনিটে এক জয়েন্ট হতে পারে অথবা অথবা কমন এরিয়া বা রুম বাই রুম আলাদা হতে পারে।
৮। স্কার্টিং এর উচ্চতা সাধারণত ৪” হয় এবং দেয়ালে ফ্ল্যাশ হলে ভালো তা নাহলে ময়লা জমে।
৯। নূন্যতম ৭ দিন কিউরিং করতে হবে।
১০। সবশেষে দেয়াল বা ফ্লোর টাইলস এর জয়েন্টগুলো ভালোভাবে পরিষ্কার করতে হবে। টাইলসের রঙ মিলিয়ে হোয়াইট সিমেন্ট ও পিগমেন্ট দ্বারা পুটি বানিয়ে পয়েন্টিং করতে হবে।
১১। পয়েন্টিং করার পর সাদা মার্কিং কাপড় দিয়ে ভালোভাবে পরিষ্কার করতে হবে এবং ২ দিন ভেজা ন্যাকড়া দিয়ে টাইলস মুঝতে হবে।

সমস্যা ও সমাধান
১। টাইলস লাগানোর পর ডফডফ শব্দ করে।
এরকম সমস্যা দেখা দিলে ঐ টাইলস পুনরায় ভেঙ্গে আবার করতে হবে। লাগানোর সময় টাইলসের সবদিকে মশলা ঢুকছে কিনা দেখে নিতে হবে এবং কাঠের বা রবারের হাতুড়ি দিয়ে এরকম শব্দ যেন না হয়ে সেটা পরীক্ষা করে নিতে হবে।
২। টাইলস উঁচু-নিচু দেখা দিলে এই টাইলসও ভেঙ্গে পুনরায় আবার টাইলস বসাতে হবে। স্প্রিট লেভেল দিয়ে বারবার চেক করে নিতে হবে।
৩। টাইলসের সাইডে দাগ দেখা দিলে ছোট দাগ হলে পয়েন্টিং করে ঠিক করতে হবে কিন্তু বড় হলে টাইলস ভেঙ্গে নতুন টাইলস বসাতে হবে।
৪। পয়েন্টিং উঠে গেলে ভালো করে পরিষ্কার না করলে এ সমস্যা দেখা দিতে পারে।
৫। টাইলস লাগানোর পর চৌকাঠ টাইলসের ভিতর চলে গেলে চৌকাঠটি ঠিকভাবে বসানো হয়েছে কিনা দেখতে হবে।
 
টাইলসের যত্ন
# কোনো ধরনের কালচে দাগ যেন না হয়, সে জন্য প্রতিদিনই ঘর পানি দিয়ে মুছতে হবে।
# টাইলসের ওপর যেন পানি জমে না থাকে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
#  সাধারণত টাইলসের জোড়া লাগানো স্থানের কোনায় কোনায় ময়লা জমে কালচে দাগ পড়ে, তাই সপ্তাহে অন্তত এক দিন ডিটারজেন্ট পাউডার গোলা পানি কিংবা ফোমে সাবান বা লিকুইড ক্লিনার ব্যবহার করা যেতে পারে। খুব শক্ত ব্রাশ ব্যবহার করা যাবে না, এতে স্ক্র্যাচ পড়ে যেতে পারে।
#  তেল, চর্বিজাতীয় দাগ পড়ে টাইলস যেন নষ্ট না হয়, সে জন্য যেসব স্থানে দাগ পড়বে সঙ্গে সঙ্গে তা সাবানের পানি দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে।
#  দেয়ালের সিরামিক-টাইলস পরিষ্কার করার জন্য সুতির শুকনো কাপড় ব্যবহার করা যেতে পারে।
#  টাইলস-এর উপর দিয়ে ভারি আসবাব টেনে সরানো যাবে না, উঁচু করে স্থানান্তর করতে হবে।
Read More »

পুরাতন দলিলে ব্যবহৃত ১৩০ টি শব্দের অর্থ

 পুরাতন দলিলে ব্যবহৃত ১৩০ টি শব্দের অর্থ

***** খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয় *****
👉দলিলে লিখিত অনেক শব্দ আছে,যার সংক্ষিপ্ত রুপ ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এমনও কিছু শব্দ আছে যা খুব কম ব্যবহার হয়। যারা পুরাতন দলিলের ব্যবহৃত শব্দের অর্থ বোঝেন না,তাদের জন্য বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।
১) মৌজা 👉 গ্রাম।
২) জে.এল নং 👉 মৌজা নং/গ্রাম নম্বর।
৩) ফর্দ 👉 দলিলের পাতা।
৪) খং 👉 খতিয়ান।
৫) সাবেক 👉 আগের/পূর্বের বুজায়
৬) হাল 👉 বর্তমান।
৭) বং 👉 বাহক, অর্থাৎ যিনি নিরক্ষর ব্যক্তির নাম লিখে।
৮) নিং 👉 নিরক্ষর।
৯) গং 👉 আরো অংশীদার আছে।
১০) সাং 👉 সাকিন/গ্রাম।
১১) তঞ্চকতা 👉 প্রতারণা।
১২) সনাক্তকারী 👉 যিনি বিক্রেতাকে চিনে।
১৩) এজমালী 👉 যৌথ।
১৪) মুসাবিদা 👉 দলিল লেখক।
১৫) পর্চা 👉 বুঝারতের সময় প্রাথমিক খতিয়ানের যে নকল দেওয়া হয় তাকে পর্চা বলে।
১৬) বাস্তু 👉 বসত ভিটা।
১৭) বাটোয়ারা 👉 বন্টন।
১৮) বায়া 👉 বিক্রেতা।
১৯) মং 👉 মবলগ/মোট
২০) মবলক 👉 মোট।
২১) এওয়াজ 👉 সমপরিমাণ কোন কিছু বদলে সমপরিমাণ কোন কিছু বদল করাকে এওয়াজ বলে।
২২) হিস্যা 👉 অংশ।
২৩) একুনে 👉 যোগফল।
২৪) জরিপ 👉 পরিমাণ।
২৫) এজমালী 👉 কোনো ভূমি বা জোতের একাধিক শরীক থাকিলে তাহাকে এজমালী সম্পত্তি বা এজমালী জোত বলে।
২৬) চৌহদ্দি 👉 সীমানা।
২৭) সিট 👉 নকশার অংশ বা মৌজার অংশের নকশাকে সিট বলে।
২৮) দাখিলা 👉 খাজনার রশিদ।
২৯) নক্সা 👉 ম্যাপ।
৩০) নল 👉 জমি পরিমাপের নিমিত্তে তৈরী অংশ দণ্ড।
৩১) নাল 👉 চাষাবাদের উপযোগী ভূমি।
৩২) পিং 👉 পিতা।
৩৩) জং 👉 স্বামী।
৩৪) দাগ নং 👉 জমির নম্বর।
৩৫) এতদ্বার্থে 👉 এতকিছুর পর।
৩৬) স্বজ্ঞানে 👉 নিজের বুঝ মতে।
৩৭) সমূদয় 👉 সব কিছু।
৩৮) ইয়াদিকৃত 👉 পরম করুণাময় সৃষ্টিকর্তার নামে শুরু করিলাম।
৩৯) পত্র মিদং 👉 পত্রের মাধ্যমে।
৪০) বিং 👉 বিস্তারিত।
৪১) দং 👉 দখলকার।
৪২) পত্তন 👉 সাময়িক বন্দোবস্ত।
৪৩) বদল সূত্র 👉 এক জমি দিয়া অন্য জমি গ্রহণ করা।
৪৪) মৌকুফ 👉 মাপ।
৪৫) দিশারী রেখা 👉 দিকনির্দেশনা।
৪৬) হেবা বিল এওয়াজ 👉 কোন জিনিসের পরিবর্তে ভূমি/জমি দান করাকে হেবা বিল এওয়াজ বলে।
৪৭) বাটা দাগ 👉 কাটা দাগ এটি ভগ্নাংশ আকারে থাকে, যার উপরের সংখ্যা আগের দাগ এবং নিচের সংখ্যা এই দাগের বাটা।
৪৮) অধুনা 👉 বর্তমান।
৪৯) রোক 👉 নগদ।
৫০) ভায়া 👉 বিক্রেতার পূর্বের ক্রয়কৃত দলিল।
৫১) দান সূত্র 👉 কোনো ভূমি দলিল মূলে দান করিলে দান গ্রহণকারী দান সূত্রে ভূমির মালিক বলিয়া গন্য হয়।
৫২) দাখিল খারিজ 👉 কোনো জোতের ভূমি ও জমা হইতে কতেকাংশ ভূমির খরিদ্দার ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত ব্যাক্তিকে পৃথকভাবে নাম জারি করিয়া দিলে তাহাকে দাখিল খারিজ বলে।
৫৩) তফসিল 👉 তালিকা, কোনো দলিলের নিম্নভাগে লিখিত সম্পত্তির তালিকাকে তফসিল বলে।
৫৪) খারিজ 👉 যখন কোনো সরকার বা জমিদার কোনো প্রজাকে তাহার অংশীদারের জমা হইতে পৃথকভাবে খাজনা দিবার অনুমতি দেন তখন তাহাকে খারিজ বলে।
৫৫) খতিয়ান 👉 প্রত্যেক মৌজার এক বা একাধিক ভূমির জন্য একত্রে যে রেকর্ড সৃষ্টি করা হয় তাহাকে খাতিয়ান বলা হয়। খতিয়ানে তৌজি নম্বর, পরগনার নাম, জে.এল বা গ্রামের নাম, খতিয়ান নম্বর, স্বত্ত্বের বিবরণ মালিকের নাম, তাহার পিতা ও গ্রামের নাম, দাগ নম্বর, প্রত্যেক দাগের উত্তর সীমানা, ভূমির প্রকার অর্থাৎ (ডাঙ্গা, ধানী, ডোবা, পতিত, গর্ত, হালট, ইত্যাদি) দখলকারের নাম, ভূমির ষোল আনা পরিমাণ, হিস্যা ও হিস্যা মত পরিমাণ একর লিখিত থাকে।
৫৬) জরিপ 👉 সাধারণত কর নির্ধারণ ভিত্তিতেই এই সার্ভে করা হইয়া থাকে।
৫৭) এওয়াজ সূত্র 👉সমপরিমাণ কোনো ভূমি বা জিনিসের বদলে সমপরিমাণ কোনো ভূমি বা জিনিস প্রাপ্ত হইলে তাহাকে এওয়াজ সূত্রে প্রাপ্ত বলা হয় ইহাকে বদল সূত্রও বলে।
৫৮) অছিয়তনামা 👉 যদি কোনো ব্যাক্তি মৃত্যুর পূর্বে তাহার ওয়ারিশ বা আত্বীয় স্বজনকে তার স্থাবর- অস্থাবর সম্পত্তির বাটোয়ারা সম্পর্কে দলিল মূলে কোনো নির্দেশ দিয়া যান তবে তাহাকে অছিয়তনামা বলে। মৃত্যুর পর উক্ত অছিয়ত প্রবলের জন্য জেলা জজ সাহেব হইতে অনুমতি লইতে হয় হিন্দু ধর্মে উহাকে উইল বলে।
৫৯) তফসিল 👉 বিক্রিত জমির তালিকা।
৬০) নামজারী 👉 অন্যান্য অংশীদার থেকে নিজের নাম খতিয়ানে খোলাকে নামজারী বলে।
৬১) অধীনস্থ স্বত্ত্ব 👉 উপরিস্থিত স্বত্ব বা জমিদারী স্বত্বের অধীনে কোনো স্বত্ত্ব সৃষ্টি করিলে তাহাকে অধীনস্থ স্বত্ত্ব বা নীচস্থ স্বত্ত্ব বলে।
৬২) আলামত 👉 ম্যাপের মধ্যে গাছপালা, বাড়ীঘর, মন্দির, মসজিদ, গোরস্থান, জলভূমি, ইত্যাদি বুঝাইবার জন্য ব্যবহৃত চিহ্নকে আলামত বলে।
৬৩) আমলনামা 👉 কোনো ব্যক্তি অন্যের নিকট হইতে কোনো ভূমি নিলাম বা খোস – খরিদ করিয়া ভূমিতে দখল লওয়ার যে দলিল প্রাপ্ত হয় তাহাকে আমনামা বলে।
৬৪) আসলি 👉 মূল ভূমি।
৬৫) আধি 👉 উৎপন্ন ফসলের অর্ধেক ভূমির মালিক, অর্ধেক প্রজায় রাখিলে তাহাকে আধি বা বর্গ বলে।
৬৬) ইজারা 👉 ঠিকা। নির্দিষ্ট খাজনায় নির্দিষ্ট সময়ের জন্য তালুক বা মহলাদির বন্দোবস্ত দেওয়া বা নেওয়া।
৬৭) ইয়াদদন্ত 👉 স্মারকলিপি।
৬৮) ইন্তেহার 👉 ঘোষণাপত্র।
৬৯) এস্টেট 👉 ১৭৯৩ সালে সরকার বাহাদুর যে সমস্ত মহাল স্থায়ীভাবে বন্দোবস্ত দিয়াছেন তাহাদিগকে জমিদারী বা এস্টেট বলে।
৭০) ওয়াকফ 👉 ধর্মীয় কাজের উদ্দেশ্যে আল্লাহর নামে উৎসর্গকৃত সম্পত্তি।
৭১) কিত্তা 👉 চারিটি আইন দ্বারা বেষ্টিত ভূমি খন্ডকে এক একটি কিত্তা বা পট বলে।
৭২) কিস্তোয়ার জরিপ 👉 গ্রামের অন্তর্গত জমিগুলো কিত্তা কিত্তা করে জরিপ করার নাম কিস্তোয়ার
৭৩) কিস্তি 👉 নির্দিষ্ট তারিখ অনুযায়ী টাকা দিবার অঙ্গীকার বা ব্যবস্থা।
৭৪) কায়েম স্বত্ত্ব 👉 চিরস্থায়ীভাবে বন্দোবস্ত দেওয়া ভূমিকে কায়েম স্বত্ত্ব বলে।
৭৫) কবুলিয়ত 👉 মালিকের বরাবরে স্বীকারোক্তি করিয়া কোনো দলিল দিলে তাহাকে বকুলিয়ত বলে। কবুলিয়াত নানা প্রকার। যথা- রায়তি, দর রায়তি, কোর্ফা ও আদি বর্গা কবুলিয়াত।
৭৬) কটকোবালা 👉 সুদের পরিবর্তে মহাজনের দখলে জমি দিয়া টাকা কর্জ করত: যে দলিল দেওয়া হয় তাহাকে কটকোবালা বল।
৭৭) কান্দা 👉 উচ্চ ভূমি। গোবামের সন্নিকটস্থ ভূমিকেও কান্দা বলে।
৭৮) কিসমত 👉 মৌজার অংশকে কিসমত বলে।
৭৯) কোলা ভূমি 👉 বসত বাড়ীর সংলগ্ন নাল জমিকে কোলা ভূমি বলে।
৮০) কোল 👉 নদীর কোনো ছোট অংশ তাহার প্রধান স্রোতের সহিত বা হইতে সংযুক্ত হইয়া গেলে তাহাকে কোল বলে।
৮১) খানাপুরী 👉 প্রাথমিক স্বত্ত্ব লিপি। ইহা রেকর্ড অব রাইটস তৈরির ধাপ। খসড়া ও খতিয়ানের কলাম বা ঘর পূরণ করাই ইহার কাজ।
৮২) খামার 👉 ভূম্যধিকারী খাস দখলীয় ভূমিকে খামার, খাস-খামার, নিজ জোত বা কমত বলে।
৮৩) খাইখন্দক 👉 ডোবগর্ত, খাল, নালা ইত্যাদি চাষের অযোগ্য ভূমিকে খাইখন্দক বলে।
৮৪) খিরাজ 👉 কর, খাজনা।
৮৫) খানে খোদাঃ মসজিদ।
৮৬) খসড়াঃ জমির মোটামুটি বর্ণনা।
৮৭) গর বন্দোবস্তিঃ যে জমির কোনো বন্দোবস্ত দেওয়া হয় নাই।
৮৮) গরলায়েক পতিতঃ খাল, নালা, তীরচর, ঝাড়, জঙ্গল ইত্যাদি অনাবাদি ভূমিকে গরলায়েক পতিত বলে।
৮৯) গির্বিঃ বন্ধক।
৯০) চক 👉 থক বসত ম্যাপের এক একটি পটকে চক বলে।
৯১) জমা বন্দী 👉 খাজনার তালিকা।
৯২) চাকরাণ 👉 জমিদার বাড়ীর কাজ-কর্ম নির্বাহ করণার্থে ভোগ-দখল করিবার নিমিত্তে যে জমি দেওয়া হয় তাহাকে চাকরাণ বলে।
৯৩) চাঁদা 👉 জরিপ কার্যে নির্দিষ্ট করা স্টেশনকে চাঁদা বলে।
৯৪) চটান 👉 বাড়ীর সন্নিকটস্থ উচ্চ পতিত স্থানকে চটান বলে।
৯৫) চালা 👉 উচ্চ আবাদি ভূমি (পুকুরের পাড় ইত্যাদি)
৯৬) চর 👉 পলিমাটি গঠিত ভূমি।
৯৭) জবর-দখল 👉 জোরপূর্বক দখল।
৯৮) জমা 👉 এক বা একাধিক ভূমির জন্য একত্রে যে খাজনা দেওয়া হয় তাহাকে এক একটি জমা বলে।
৯৯) জোত 👉 এক প্রকার প্রজাস্বত্ত্ব।
১০০) জজিরা 👉 নাব্য নদীতে যে দ্বীপ গঠিত হয় তাহাকে জজিরা বলে।
১০১) জায়সুদী 👉 হস্তান্তরকরণ ক্ষমতা ব্যতীত কিয়ং কালের জন্য বন্ধক। অর্থাৎ মহাজনের নিকট বন্ধক দিয়া যদি এই মর্মে টাকা কর্জ করা যায়, যে যতদিন পর্যন্ত আসল টাকা পরিশোধ না হইবে ততদিন পর্যন্ত মহাজন উক্ত জমি ভোগ-দখল করিতে থাকিবেন, তবে তাহাকে জায়সুরি বলে।
১০২) জালি 👉 এক প্রকার ধান যাহা জলাভূমিতে জন্মে।
১০৩) টেক 👉 নদী ভগ্নস্থান ভরাট হইয়া যে পয়স্তি উৎপন্ন হয় তাহাকে টেক বলে।
১০৪) টাভার্স 👉 ঘের জরিপ।
১০৫) ঠিকা রায়ত 👉 নির্দিষ্ট মেয়াদে সাময়িকভাবে দখলকারকে ঠিক রায়ত বলে অথবা যে রায়তের কোনো দখলি স্বত্ত্ব নেই।
১০৬) ঢোল সহরত 👉 কোনো ক্রোক, নিলাম ইস্তেহার বা দখলি পরওয়ানা সরজমিনে ঢোল পিটাইয়া জারি করাকে ঢোল সহরত বলে।
১০৭) তামিল 👉 আদেশ মোতাবেক রেকর্ড সংশোধন করা।
১০৮) তামাদি 👉 খাজনা আদায় করার নির্দিষ্ট সময় অতিক্রম হইলে তাহাকে তামাদি বলে।
১০৯) তুদাবন্দী 👉 সীমানা নির্দেশ।
১১০) তহশিল 👉 খাজনাদি আয়ের নিমিত্ত নির্দিষ্ট এলাকাকে তহশিল বলে।
১১১) তলবানা 👉 সমন জারির সময় পিয়নকে প্রদত্ত ফিস।
১১২) তলববাকী 👉 বকেয়া খাজনা আদায়ের কিস্তি।
১১৩) তালুক 👉 নিম্নস্থ স্বত্ত্ব।
১১৪) তরমিমঃ শুদ্ধকরণ।
১১৫) তরতিব 👉 শৃংখলা।
১১৬) তৌজি 👉 ১৭৯৩ সালে চিরস্থায়ী বন্দোবস্তীয় ভূমির জন্য কালেক্টরীতে যে রেজিষ্ট্রী বই থাকে তাহাকে তৌজি বলে। প্রত্যেক তৌজির ক্রমিক নম্বর থাকে। জমিদারের অধীন প্রজার জোতকেও তৌজি বলা হয়।
🔸১১৭) দিয়ারা 👉 পলিমাটি দ্বারা গঠিত চর।
১১৮) দর পত্তনী 👉 পত্তনীর অধীন।
১১৯) দখলী স্বত্ত্ব বিশিষ্ট প্রজা 👉 দখলদার হিসেবে যে প্রজার স্বত্ত্ব আছে।
১২০) দশসালা বন্দোবস্ত 👉 দশ বৎসরের মেয়াদে বন্দোবস্ত দেওয়াকে দশসালা বন্দোবস্ত বলে।
১২১) দিয়ারা 👉 পলিমাটি দ্বারা গঠিত চর।
১২২) দাগ নম্বর 👉মৌজা নকশায় প্রত্যেক প্লটের যে সিরিয়াল নম্বর বসান হয়,তাহাকে দাগ নম্বর বলে।
১২৩) দরবস্ত 👉 সমুদয়।
১২৪) নথি 👉 রেকর্ড।
১২৫) দেবোত্তর 👉 দেবতাদিগকে প্রদত্ত নিষ্কর ভূমি।
১২৬) দেবিচর 👉 যে সকল বালুচর সাধারণ জোয়ারের পানিতে ডুবিয়া যায় তাহাদিগকে দেবিচর বলে।
১২৭) দিঘলি 👉 নির্দিষ্ট পরিমাণ খাজনা আদায়কারী একপ্রকার প্রজা।
১২৮) নক্সা ভাওড়ন 👉 পূর্ব জরিপ অনুসারে গ্রামের সীমাগুলো এখন আর ঠিক মতো পাওয়া যায় না। ফলে সীমানা লইয়া প্রায়ই জমিদারের মধ্যে ঝগড়া বাঁধে। পূর্বের ফিল্ডবুক অনুসারে প্রত্যেক লাইনের মাপ ও বিয়ারিং লইয়া, লাইনটি প্রথমে যেখানে যেভাবে ছিল, তা চিহ্নিত করিয়া, কোন জমি কোন মৌজার অন্তর্গত,তাহা ঠিক করার নামই,নক্সা ভাওড়ান বা রিলেইং বাউন্ডারীজ।
১২৯) নামজারী 👉 ভূম্যধিকারী সরকারের সাবেক নামের পরিবর্তে খরিদ্দার অথবা ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত ব্যক্তির নাম রেজিস্ট্রী করাকে নামজারী বলে।
🔸১৩০) নাম খারিজ বা জমা খারিজ 👉 ১৬ আনা জোতার মোট জমা হইতে নামজারীকৃত ওয়ারিশ বা খরিদ্দারের দখলীয় জমির জমা ১৬ আনা জোতার জমার হার অনুসারে জাম ভাগ করিয়া দিয়া পৃথক জমা সৃষ্টি করাকে নাম খারিজ বা জাম খারিজ।
Read More »

Badiuzzaman ( Rubel )